হরিপুরে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের দুঃসাহসী নেতা শামীম ফেরদৌস টগর

হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

আর্তমানবতার সেবায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্তকারী সময়ে আলোচিত সামাজিক ব্যক্তি। অসংখ্য অগণিত সামাজিক সংগঠন ও সমাজ সেবক তৈরির নিপুন কারিগর। গরিব দুঃখী আর অসহায় মানুষের আশা বিশ্বাস আর ভালো বাসার শেষ আশ্রয়স্থল। ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা, হরিপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা, বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ এর কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা একেএম শামীম ফেরদৌস টগর, তারুণ্যের তারুণ্য যৌবনকালে ভালোবাসায় আওয়ামী রাজনীতির দুঃসময়ে দুঃসাহসি নেতা এ কে এম শামীম ফেরদৌস টগর কে নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলে থাকেন। কারো দৃষ্টিতে টগর একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা, কারো দৃষ্টিতে মানবতার প্রতীক, কারো দৃষ্টিতে একজন দক্ষ সংগঠক, আবার কারো কারো দৃষ্টিতে হরিপুরের মাটিতে আওয়ামীলীগের রুপকথার নেতা।

রাজনীতির বাজারে অনেক ধরনের খেলা এবং মেলা বসে থাকে, সেই খেলা এবং মেলাতে যারা জয় হতে পারে তাদেরকে আমরা বাহ্ বাহ্ দিয়ে থাকি। কিন্তু কর্মী প্রিয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আস্থাভাজন নেতা একেএম শামীম ফেরদৌস টগর। তার রাজনৈতিক অংঙ্গনে আকাশ ছোয়া জনপ্রিয়তা দেখে অনেকেই হিংসাহিত হচ্ছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। দুঃসময়ে যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে রাজনীতির সাগরে পাড়ি দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন টগর।

এই উপজেলায় তার রাজনীতির সাংগঠনিক দক্ষতা চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ আছে বলে হরিপুরের মানুষ মনে করে না। অনেকেই উপরের আশির্বাদ ও মহব্বতে রাতারাতি নেতা পরিণত হলেও তিনি ভিন্নতর। যে ব্যাক্তি রাজপথ দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে এই উপজেলায় তার তুলনা সে নিজেই, অন্য কারো সাথে তার রাজনৈতিক কৌশল তুলনা করার মত নয়।

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দুঃসাহসী নেতা ভূমিকায় অবতীর্ণ ছিলো তার।

এক প্রকার বলা যায় যখন সারাদেশে আওয়ামী লীগের কর্মীনিধন চলছিলো তখন হরিপুরের রাজপথে সাহসী হয়ে প্রতিহত করত সব।যা আজকের প্রেক্ষাপটে রুপকথার কাহানী।

(বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর, আংশিক রানীশংকৈল) নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের-২ আসন, এই আসনে রাজনৈতিক নেতাদের সুপরিচিত একটি নাম, হরিপুর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা সবার প্রিয় মুখ একেএম শামীম ফেরদৌস টগর।

এই উপজেলার জনগণ ও দলীয় কর্মীদের সাথে কথা বললে জানাযায়, দলের দুঃসময়ে তার ভূমিকার কথা। বিশেষ করে বিরোধী দল থাকার সময় মাঠ থেকে সংগঠনকে ধরে রেখেছিল ত্যাগি নেতা একেএম শামীম ফেরদৌস টগর।

হরিপুরে খুব কম মানুষ আছে যারা টগরের সহযোগীতা পাননি। অধিকাংশ মানুষের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে ছিলেন তিনি। রাজনীতি করতে গিয়ে টগর বিএনপি জামাত জোটের আমলে বেশ কয়েক বার হামলা মামলার শিকার হয়েছিলেন। তবুও সংগঠনের হাল ছাড়েননি তিনি। বিএনপি জামাত বিরোধী আন্দোলনে হরিপুরে টগর এর নেতৃত্তে প্রথমে ছাত্রলীগ পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আন্দোলনে ব্যাপক ভাবে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। টগর কোনো সময় বিএনপি জামাতের সাথে আঁতাত করেননি। হরিপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কর্মীরা বলেন, টগর নিজ স্বার্থে কখনো হামলা-মামলার শিকার হননি বরং রাজনীতি করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগকে এই উপজেলায় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে জনগণের আধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলন এবং হামলা-মামলার স্বীকার হয়েছিলেন । টগর এর রাজনীতি শুরু হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র জীবন থেকেই, এর পরে উপজেলা ছাত্রলীগ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ এর কার্যনির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। একেএম শামীম ফেরদৌস টগর এর হাত ধরে এই জেলা উপজেলায় অনেক বিশ্বস্ত নেতা-কর্মী তৈরীর হয়েছে। টগর বিশ্বস্ত নেতা হিসাবে প্রমানিত ও পরিচিত।